ঢাকা   ১৩ই এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ । ৩০শে চৈত্র, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

একই পরিবারের ইফতার দিতে গিয়ে পাঁচজন নিহত

প্রতিবেদকের নাম
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, মার্চ ২২, ২০২৪
  • 70 শেয়ার

ক্রাইম রিপোর্টার: মোঃ আলমগীর হোসেন,

বাবার বাড়িতে ইফতার করতে গিয়ে লাশ হলেন তিন বোন, ভাবিসহ পাঁচ জন। নিহতারা হচ্ছে গোপালগঞ্জ সদরের  আড়পাড়া হরিদাসপুর গ্রামের  দুই বোন নাসিমা বেগম (৫০), আসমা বেগম(৪৮) ভাবি আনজু মনোয়ারা বেগম(৭০) সাইদুজ্জামানের স্ত্রী সালমা বেগম (৫৫), গুরুতর আহতরা হচ্ছে- নিহত তিন বোনের সহোদর ভাই হুমায়ুন কাজী (৭০), তসলিম কাজী(৬০) ও চাচী সদিয়া বেগম(৫০) বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার দক্ষিণ গোপালপুর গ্রামের কাজীবাড়ি। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাঘটে বুধবার সকাল সাড়ে দশটায় ঢাকা-ভাঙ্গা – বরিশাল  মহাসড়কের টেকেরহাট ছাগলছিড়া নামক স্থানে বাস- মাইক্রো মুখোমুখি

এ সময় ওই পরিবারের আরো তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মাইক্রো চালকের নাম- আলমগীর হোসেন মোল্লা, সে  রাজবাড়ী গোয়ালন্দ এলাকার মৃত্যু আতাউর মোল্লার ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গোপালগঞ্জ মুকসুদপুরের ফরিদপুর বরিশাল মহাসড়কের টেকেরহাট ছাগলছিড়া নামক স্থানে  বরিশাল থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী  গ্লোবাল পরিবহনের একটি বাস ও ঢাকা থেকে মাদারীপুরগামী হায়েস মাইক্রো ঘটনাস্থলে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন বোন, ভাবি ও চালক সহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন ও  ওই পরিবারের তিনজন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। এরা সকলে একই পরিবারের ভাই বোন ছিলেন।

নিহতদের ভাতিজা হাসান কাজী জানান, এরা সবাই ঢাকায় বসবাস করেন। আজ(বুধবার) আমাদের গ্রামের কাজী বাড়িতে  পারিবারিক ইফতার পার্টি ছিল। সেই ইফতার পার্টিতে অংশগ্রহণের জন্য সকল ভাই বোন মিলে ঢাকা থেকে মাইক্রোতে গ্রামের বাড়িতে ফিরতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরলেন।

এদিকে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার  উপ-পরিদর্শক (এসআই ) নোমান জানান, বাস মাইক্রো মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন বোন, ভাবী ও মাইক্রো চালক সহ এই পাঁচজন ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন। আমরা লাশের পরিচয় পেয়েছি। বাস মাইক্রো থানায় হেফাজতে রয়েছে। নিহতদের মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ
© স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৪